নেসার উদ্দীন আইয়ূব বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি গবেষণা করছেন। এমফিল-এ উচ্চনম্বর প্রাপ্তির জন্য বৃত্তিলাভ করেন একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। পেশায় পুস্তক প্রকাশক। বাংলা খবর পড়েন বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৯৫ সালে বিএ (অনার্স) ও ১৯৯৬ সালে (এমএ) পাশ করেন। ছাত্রজীবনেই সাংবাদিকতা শুরু করেন। এ সময় দেশের প্রথম শ্রেণির পত্রপত্রিকায় ছোটগল্প লেখেন অনেক। নিয়মিত সাহিত্যসভায় অংশ নিয়েছেন বহুবছর। তিনি একজন আবৃত্তিশিল্পী। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে সাহিত্যের বাচিক চর্চাকেন্দ্র ‘কণ্ঠশীলন’-এ কাজ করেছেন প্রায় ১০ বছর। এখন আবৃত্তি সংগঠন ‘বাকশিল্পাঙ্গন’ এর সাথে যুক্ত। ১৯৯৭ সাল থেকে বাংলাদেশ বেতারে অনুষ্ঠান করেন। বর্তমানে বেতারে বাংলা সংবাদ উপস্থাপনা ছাড়াও ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘উত্তরণ’ করেন নিয়মিত। তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশনের নিয়মিত সংবাদ পাঠক। তিনি দেশে সংবাদ উপস্থাপকদের সংগঠন ‘নিউজ প্রেজেন্টারস সোসাইটি অব বাংলাদেশ’-এর এক্সিকিউটিভ কমিটির সদস্য।
ছাত্রজীবনে ৩ বছর ও কর্মজীবনের প্রথম ২ বছর- এই ৫ বছর সাংবাদিকতার পর ১৯৯৯ সালের ১ জানুয়ারি পুস্তক প্রকাশনা ব্যবসাকে পেশা হিসেবে বেছে নেন। শিক্ষাবিষয়ক পুস্তক প্রকাশনা ব্যবসা চালাতে গিয়ে প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের অনেক বই রচনা এবং সম্পাদনা করতে হয় তাকে। দেশে পুস্তক ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন ‘বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি’-র পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন তিনবার। এসময় তিনি শিক্ষাঙ্গন, শিক্ষাব্যবস্থা, শিক্ষাক্ষেত্রে সরকারি নীতি, দেশে প্রস্তাবিত শিক্ষা আইন ইত্যাদি নিয়ে কাজ করার সুযোগ পান।
চার ভাইয়ের মধ্যে সবার বড়ো হওয়ায় ছোটো তিন ভাইয়ের পড়ালেখার সক্রিয় দিকনির্দেশনা দেওয়ার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। তার হাত ধরেই প্রত্যন্ত গ্রামের প্রাইমারি স্কুল থেকে শুরু করে বরিশাল ক্যাডেট কলেজ, ঢাকার আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ-মতিঝিল, নটরডেম কলেজ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হয়ে ইংল্যান্ডের বিশ্বসেরা অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া ও গবেষণার সমন্বয় ঘটেছে তার পরিবারে।
জীবনে শিক্ষাবিষয়ক এই দীর্ঘ, বহুবিধ ও সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের সব ছাত্রছাত্রীকে পৌঁছে দেওয়ার তাড়না ও দায়বোধ থেকে লিখেছেন এই বই– ‘তোমার স্বপ্ন তোমার লেখাপড়া, তুমিও হতে পারো বিশ্বসেরা’
বর্তমান গ্লোবালাইজেশনের যুগে পরিবর্তিত নতুন বিশ্বের আধুনিক সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে একজন শিক্ষার্থী কীভাবে নিজেকে সাফল্যের শীর্ষে নিয়ে যেতে পারে, সে ব্যাপারে বিস্তারিত দিকনির্দেশনা দিয়েছেন বইটিতে। তার নিজের পড়াশোনা, অভিজ্ঞতালব্ধ জ্ঞান ও গবেষণা সংযুক্ত করেছেন এই বইয়ে। ‘মানুষ বড়ো হতে পারে সাত স্তরে’, ‘লেখাপড়ার আধুনিক সাত পদ্ধতি’সহ অনেক কিছুই লেখকের দীর্ঘ গবেষণার ফল। এসব বিবেচনায় নিঃসন্দেহে এটি একটি মৌলিক বই।
একজন শিক্ষার্থী কত বড়ো করে জীবন নিয়ে স্বপ্ন দেখতে পারে এবং সে স্বপ্ন পূরণের পথপদ্ধতিই বা কী, তা এই বইয়ে অতুলনীয় বৈশিষ্ট্যে বর্ণনা করা হয়েছে। বইটি সে স্বপ্ন পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আমাদের বিশ্বাস।
– প্রকাশক





















Reviews
There are no reviews yet.