অন্তর্গত-ভাবনা, উপলব্ধি ও দর্শনের শিল্পিত প্রকাশের তীব্র তাড়না থেকেই কবিতা লেখেন হুসাইন আলমগীর। কোনো এক অদৃশ্য শক্তি তাঁকে কবিতার কাছে নিয়ে যায়। চেয়ার-টেবিলে বসে কবিতা লেখার মানুষ তিনি নন। কাজের ফাঁকে, চলার বাঁকে লিখে ফেলেন অনায়াসে। শব্দ, ছন্দ, উপমা, উৎপ্রেক্ষা, চিত্রকল্প, বাস্তবতা, পরাবাস্তবতার নিবিড় বন্ধনে, কাব্যমানে তাঁর প্রতিটি কবিতাই হয়ে ওঠে শ্রেষ্ঠতর। ছন্দ সচেতন এ কবির কবিতার মূল উপজীব্য সামাজিক অসংগতি আর ভণ্ডামির বিরুদ্ধে সুস্পষ্ট উচ্চারণ। প্রেম ও বিরহ তাঁর কবিতার ভেতর-বাহির। কাব্য রচনায় উত্তর আধুনিক কালের এই তরুণ কবির শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ পাওয়া যায় তাঁর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের ঈর্ষণীয় পাঠকপ্রিয়তায়।
এ তরুণ কবির কবিতা দেশের বিশিষ্ট কবিদের দ্বারা প্রশংসিত হয়েছেন। কবিতা যে বিবৃতিমাত্র নয়, তার ভেতরে থাকতে হয় প্রতীক, উপমা, চিত্রকল্পের রহস্যময় আবরণ আর কিছু আভরণও, সেই সত্যও ধরা পড়েছে তার কবিতায়। সনেটের মতো প্রাচীন আঙ্গিক-ঐতিহ্যও এই কবি সাহস করে ব্যবহার করেছেন আধুনিক বিষয়-ভাষ্যে। ঐতিহ্যিক গীতিময়তাকে প্রয়োগ করছেন ঈর্ষণীয় নৈপুণ্যে।
অমর একুশে বইমেলা ২০২৫ উপলক্ষ্যে আমরা পাঠকের হাতে তুলে দিতে যাচ্ছি কবির ষষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ ‘কেবলি রুটির জন্য উচ্চকণ্ঠ হই’। এই গ্রন্থে কবি অন্যায় অবিচার, শোষণ বঞ্চনা এবং ছাত্রজনতার জুলাই অভ্যুত্থানের পূর্বাপর চালচিত্র নির্মোহভাবে তুলে ধরেছেন। আমার বিশ্বাস কবির এ কাব্যগ্রন্থ পাঠকদের মুগ্ধ করবে।















Reviews
There are no reviews yet.